শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

বঙ্গবাজারে দুপুর থেকে চৌকি বিছিয়ে ব্যবসা

ভয়াবহ আগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত রাজধানীর বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে দোকানিদের জন্য অস্থায়ী চৌকি বসানোর কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে।

বুধবার (১২ এপ্রিল) দুপুর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তাদের মালামাল নিয়ে চৌকিতে বসার কথা রয়েছে। কিন্তু সব ব্যবসায়ী সেখানে জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন অনেকে। এছাড়া এমন অনেক ব্যবসায়ী রয়েছেন যাদের পুড়ে যাওয়া মার্কেটে সাত থেকে দশটি দোকানও ছিল, তারা এখন সেসব দোকানের পজিশন হাতছাড়া হওয়ার আতঙ্কে আছেন।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, জোরেশোরে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের পোড়া বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে। ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। পুরো মার্কেট এলাকায় বালু ফেলে ইট বিছানো হয়েছে। তার ওপরই সাড়ে তিন ফুট বাই পাঁচ ফুট ও তিন ফুট বাই পাঁচ ফুট আকৃতির চৌকি বসানো হবে বলে জানিয়েছে মার্কেট কর্তৃপক্ষ।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগুনে ভস্ম হওয়া জায়গায় সব ব্যবসায়ীর জন্য চৌকি বসানো সম্ভব নয়। ফলে তারা কোথায় যাবেন, কীভাবে দোকান দেবেন তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের আদর্শ মার্কেটের ফ্রেন্ডস কালেকশনের মালিক সাইদুর রহমান বলেন, আমার দোকান ছিল নিচতলায়, আমার ওপরে আরও তিনটি দোকান ছিল। শুধু নিচতলাতেই দোকান ছিল হাজারের ওপরে। এত দোকানি কোনোভাবেই বসার জায়গা পাবে না।

তিনি আরও বলেন, পোড়া দোকানের স্থানে চৌকি পাব কি না, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। মালিক সমিতিও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিচ্ছে না।

বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির নেতারা জানান, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে ১.৭৯ একর জমি রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের বসাতে সেখানে বালু ফেলে ইট বিছানো হচ্ছে। এরই মধ্যে সেখানে ৪০ গাড়ি বালু এবং প্রায় ৯০ হাজার ইট বিছানো হয়েছে। পুরো এলাকায় প্রায় ২.৫ লাখ ইট বিছানো এবং প্রায় ১৫০ গাড়ি বালু ফেলা হবে। আজকের মধ্যে পুরো এলাকায় বালু ফেলা ও ইট বিছানোর লক্ষ্যে করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা কাজ করে চলেছেন।

কাঠ ও টিনের তৈরি তিনতলা বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে চারটি আলাদা ইউনিট ছিল। সেগুলো হলো- বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, মহানগরী ও আদর্শ মার্কেট। সব কটি ইউনিট মিলে দোকান ছিল ২ হাজার ৯৬১টি। এর মধ্যে বঙ্গবাজার ইউনিটে ৮৬৩, গুলিস্তান ইউনিটে ৮২৮, মহানগরীতে ৫৯৯ ও আদর্শ ইউনিটে ৬৭১টি দোকান ছিল।

বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের আদর্শ মার্কেট ইউনিটের সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, অবশ্যই সবাইকে বসানো যাবে না। সর্বসাকল্যে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ চৌকি মার্কেটের জায়গায় বসানো যাবে বলে মনে হচ্ছে। ১০০ চৌকি দিয়ে ২০০ জনকে পুনর্বাসিত করা যায় কি না আমরা দেখব। আর যারা বসার জায়গা পাবে না, তাদের বিষয়ে পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, আদর্শ মার্কেট ইউনিটে মোট দোকান ছিল ৬৭১টি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০ চৌকি বসানো যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com